ছবি
সুভাষ চক্রবর্তী
কেউ যেন ফোয়ারাটা খুলে দিয়েছে
আকাশের চানঘর থেকে,
কালো তাওয়ায় ঢাকা ডিমের কুসুম;
মশলা মেঘের চমকানি।
উথলে উঠছে কষ্টের বুক,
পাঁক চক্র এ জীবন;
গাছের শরীর ভিজে একসা ।
রোপণের কাজ শুরু হোক...।
আমি আজ সমমৃত উলঙ্গ শরনার্থী / অরুণ চক্রবর্তী
সারাজীবন ভালোবাসা ভিক্ষা করে আজ এখন শরনার্থী,
আমার কোন খোলা খাতা নেই নেই প্রচন্ড শীতে
একটু গরম আগুনের ছোঁয়া বা গ্রীস্মের
তীব্র দাবদাহে একটা অন্তত ফুটো ছাতা--
জীবনের সব সহায় সম্বল কেড়ে যারা
আমায় ন্যাংটা করেছে
কোনো দোষ নেই তাদের,
যে গাছগুলো ছায়া দিত একসময়
তারাও কাঁদতো চোখে জল দেখে--
একটা সময় ছিল কোনো খাবার ছিল না আমার,
লুটেরা সব তছনছ করেছে সাজানো সংসার নির্বিচারে,
ঈশ্বরের দোহাই দিয়ে কপাল থাপড়েছি--
চোখের সামনে নৃশংস জহ্লাদেরা ঠেলে বাড়ী
থেকে মেরে বার করলে পরিবার নিয়ে
দাঁড়িয়েছি গ্রামের শীতলা মন্দিরে--
মন্দিরের সদর দরজার তালা তারপর খোলা দেখিনি,
অসহায় ভেবে স্নেহের গাছগুলোও নির্বাসনে বিসর্জন দিয়েছি--
সব হারিয়ে শরনার্থীর ছাপ নিয়ে এ সীমান্ত থেকে ওই সীমান্ত
এ রাস্তা থেকে ওই রাস্তায়,
একটা ন্যূনতম লাঠিও খুঁজে পাই না,পড়ে যাই যেন শূন্যে--
আগ্নেয়গিরির জ্বলন্ত লাভা ছিটিয়ে দাও এই ম্রিয়মান দেহে-
নির্লজ্জ অন্ধকারে বিষমাখা রক্তের থলিও
যে জীবন ঘৃণা করে আজ আমি তাই,
জীবনের সাথে জীবনের যোগ আটকে
গিয়েছিল সেই যে গৃহহীন হওয়া থেকে তা ফিরবে না জানি,
মৃত্যুর আবহে জ্বলে একবার হাসতে দাও চোখ খুলে--
চর্মহীন মর্মহীন নিঃশ্বাস ঠিকরে পড়ে সমস্ত শরীরে--
আজ আমি সমমৃত উলঙ্গ এক শরনার্থী---।
তুমি
সুভাষ চক্রবর্তী
কেউ যেন ফোয়ারাটা খুলে দিয়েছে
আকাশের চানঘর থেকে,
কালো তাওয়ায় ঢাকা ডিমের কুসুম;
মশলা মেঘের চমকানি।
উথলে উঠছে কষ্টের বুক,
পাঁক চক্র এ জীবন;
গাছের শরীর ভিজে একসা ।
রোপণের কাজ শুরু হোক...।
আমি আজ সমমৃত উলঙ্গ শরনার্থী / অরুণ চক্রবর্তী
সারাজীবন ভালোবাসা ভিক্ষা করে আজ এখন শরনার্থী,
আমার কোন খোলা খাতা নেই নেই প্রচন্ড শীতে
একটু গরম আগুনের ছোঁয়া বা গ্রীস্মের
তীব্র দাবদাহে একটা অন্তত ফুটো ছাতা--
জীবনের সব সহায় সম্বল কেড়ে যারা
আমায় ন্যাংটা করেছে
কোনো দোষ নেই তাদের,
যে গাছগুলো ছায়া দিত একসময়
তারাও কাঁদতো চোখে জল দেখে--
একটা সময় ছিল কোনো খাবার ছিল না আমার,
লুটেরা সব তছনছ করেছে সাজানো সংসার নির্বিচারে,
ঈশ্বরের দোহাই দিয়ে কপাল থাপড়েছি--
চোখের সামনে নৃশংস জহ্লাদেরা ঠেলে বাড়ী
থেকে মেরে বার করলে পরিবার নিয়ে
দাঁড়িয়েছি গ্রামের শীতলা মন্দিরে--
মন্দিরের সদর দরজার তালা তারপর খোলা দেখিনি,
অসহায় ভেবে স্নেহের গাছগুলোও নির্বাসনে বিসর্জন দিয়েছি--
সব হারিয়ে শরনার্থীর ছাপ নিয়ে এ সীমান্ত থেকে ওই সীমান্ত
এ রাস্তা থেকে ওই রাস্তায়,
একটা ন্যূনতম লাঠিও খুঁজে পাই না,পড়ে যাই যেন শূন্যে--
আগ্নেয়গিরির জ্বলন্ত লাভা ছিটিয়ে দাও এই ম্রিয়মান দেহে-
নির্লজ্জ অন্ধকারে বিষমাখা রক্তের থলিও
যে জীবন ঘৃণা করে আজ আমি তাই,
জীবনের সাথে জীবনের যোগ আটকে
গিয়েছিল সেই যে গৃহহীন হওয়া থেকে তা ফিরবে না জানি,
মৃত্যুর আবহে জ্বলে একবার হাসতে দাও চোখ খুলে--
চর্মহীন মর্মহীন নিঃশ্বাস ঠিকরে পড়ে সমস্ত শরীরে--
আজ আমি সমমৃত উলঙ্গ এক শরনার্থী---।
তুমি
কাকলী বসাক
তুমি যে কি আমার কাছে
তা অতটা কেউ জানে না
শুধু আমারই জানা আছে
তুমি আমার সোনা
তোমায় নিয়ে বাঁচব আমি
এইতো মনের কামনা
আসুক যত ঝড়ঝাপটা
আসুক যত বাধা
তোমার স্বরলিপিতেই আমার গলা সাধা
থেকো তুমি আমার সাথে
দিও আমার সাথ
দারুন বিপর্যয়ের মাঝেও ছেড়োনা এই হাত
ভুল বুঝো না
হাল ছেড়ো না
থেকো মনের কোণে
আমার তুমি
তোমার আমি
স্বপ্নে জাগরনে
কাজল দাসের তিনটি কবিতা...
চকলেটের চুল --------------- অথবা সারে তিন ইঞ্চি ওজন ভেঙ্গে ড্রাইভার খুলে আসে..... আসার টিউব জুড়ে শাদা শাদা টলটল এক একটা নাভির সুইমিং চকলেটের চুলে কঙ্কনাদের বৃষ্টি অথবা দাড়ি-কমা রকেট হলে রাগ কমে, বয়স কমে লাগানোর সানগ্লাস ফুলে ওঠে..... বাগান ও টেম্পারেচার ------------------------ ওদের ইয়েতে 'গ্যালন' বাজে তামাম ' হা 'কে হাওয়া করে.... রাত কিংবা শ্যামের হাঁটু সব সাবান ঘষে ঘষে বান্ধবীদের বাগান করে..... রুমমেট --------- বিকেল পুড়ে পুড়ে ওড়না শুকায় যে চোখ, তার গ্রাউন্ড জুড়ে সন্ধার বেডরুম একের পর এক ডিমরুল্লা যোনি মধু নামায়, ডিজাইন নামায়, চুমুদের স্ক্রু নামায়... আর রোমে রোম লাগিয়ে রুমমেট বেঁচে থাকে ।
মনোজিৎ দাসের একটি কবিতা
আফিম
মাফিয়া রং ফুরিয়ে এলেই
মেলে ধরছ জবজবে বাতাস
বাড়ন্ত গাছের ্ছায়া
সমানুপাতিক রাতের ভাষা
নেমে যাচ্ছে বিনুনির মতো
চঞ্চলতা ভরে নিচ্ছে পকেট
আফিম হচ্ছি ক্রমশ...
বৃষ্টি
কাকলি বসাক
কখন তুমি নামো, কখন তুমি থামো
জানিনা তার মানে;
ভিজিয়ে দিয়ে যাও কখনো, ঠাণ্ডা করো এই ভূমিকে
প্রয়োজনের দানে।
ফুরিয়ে যাবার আগে আবার অনেক দিনই থাকো
প্লাবন ডেকে আনো ;
ক্ষয়ক্ষতি যা হবার হয়, সেই শুধু তা জানে;
তুমি কি কভু জানো?
ক্ষতি করেও পূরণ করো, মনের মানুষ হও যে বড়ো
ভালোবাসার দানে;
কখন তুমি নামো, কখন তুমি থামো
জানিনা তার মানে।
No comments:
Post a Comment